Thursday 20 February 2020
Home      All news      Contact us      English
jagonews24 - 29 days ago

মানুষের কবলে পড়ে মরতে বসেছে সিংহের দল

হাড় জিরজিরে চেহারা। বসে-শুয়ে ধুঁকছে। প্রথম দেখায় মনে হবে, তারা না খেতে পাওয়া রাস্তার কুকুর মৃতপ্রায় অবস্থায় পাশাপাশি শুয়ে আছে। আসলে এগুলো বনের রাজা খ্যাত সিংহ। তবে সিংহগুলো খোলা জঙ্গলে নয়, পার্কের ভেতরে খাঁচাবন্দী। খাবারের অভাবে, অযত্মে অবহেলায় তারা মরতে বসেছে। সুদানের রাজধানী খার্তুমের আল-কুরেশি পার্কের ভেতরে তাদের রাখা হয়েছে। সেখানে এমনই পাঁচটি আফ্রিকান সিংহকে বাঁচানোর লড়াই চলছে। এ জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালানো হচ্ছে। সিংহগুলোর জন্য খাবার ও ওষুধের প্রয়োজন। ওসমান শাহিন নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী সিংহগুলোর ছবি ও ভিডিও একের পর এক পোস্ট করতে থাকেন। সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে থাকেন তিনি। সেসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। আফ্রিকান সিংহগুলোর এই অবস্থার ছবি সামনে আসতেই অনেকে দাবি তুলেছেন, আল-কুরেশি পার্ক থেকে তাদের অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া হোক। তা না হলে সিংহগুলো মরে যাবে। অনেকে সাহায্য করতেও চেয়েছেন। পার্কটিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পশু চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, সিংহগুলো অপুষ্টিতে ভুগছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে খাবারের অভাবে তাদের ওজন প্রায় এক তৃতীয়াংশ হয়ে গেছে। দ্রুত অবস্থার উন্নতি না হলে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হতে পারে। পার্কের ম্যানেজার এসামেলদিনে হাজ্জর জানান, সিংহগুলোর জন্য প্রতিদিন যে পরিমাণ খাবার বা ওষুধ দরকার তা মেলে না। ফলে অনেক সময় তারা নিজেরাই পকেটের টাকা দিয়ে সেসব কেনেন, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়। মৃতপ্রায় সিংহগুলোর ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা দেখতে যান। তার বুঝতে পারেন, এখনই কিছু না করতে পারলে সিংহগুলোর মৃত্যু হবে। খাঁচাগুলোও যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার করা দরকার। ছবি-ভিডিও দেখার পর বেশ কয়েকটি সংগঠন সিংহগুলোর জন্য তাজা মাংস ও ওষুধ নিয়ে আল-কুরেশি পার্কে পৌঁছে যায়। সেই খাবার, অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য ওষুধ সিংহগুলোকে দেয়া হয়েছে। শাহিনের প্রচারের ফলে একের পর সাহায্য যেমন আসতে শুরু করেছে, তেমনি আল-কুরেশি পার্কের অধিকর্তা ও প্রশাসনের কর্তারাও উদ্যোগ নিচ্ছেন। আরও বেশি করে মাংস ও ওষুধ কেনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা এমএসএইচ/জেআইএম


Latest News
Hashtags:   

মানুষের

 | 

বসেছে

 | 

সিংহের

 | 
Most Popular (6 hours)

Most Popular (24 hours)

Most Popular (a week)

Sources